ভ্রমন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত [সকল তথ্যসমূহ ]

জীবনে একবার হলেও বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ঘুরে আসেন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের খুব জনপ্রিয় একটি পর্যটন স্থান। যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অভিজ্ঞতা। সাথে সমুদ্র বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। সাধারণভাবে কক্সবাজার স্থান দূরে যাওয়ার জন্য ট্রান্সপোর্টেশন ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে বেশ প্রচুর সংখ্যক বাস ও মাইক্রোবাস থাকতে পারে।

আপনি কক্সবাজারে যেতে পারেন নিচের পদ্ধতিতে:

গ্রাম বা বাস স্ট্যান্ড থেকে কক্সবাজারে যাওয়া যায়। বাস ভাড়া কিছুটা সস্তা হবে কিন্তু সময় লাগতে পারে। যদি আপনি কম বাজেটে যাওয়া চান, তবে এটি সাধারণভাবে ভাল একটি বিকল্প ব্যবস্থা ।

ঢাকা  থেকে ট্রাভেল, এজেন্সি থেকে টিকেট কিনে ট্রেনে কক্সবাজারে যেতে পারেন। ট্রেন যাতায়াত সময়মত থাকতে পারে এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় ট্রেন স্টেশনে জেনে রাখা ভাল।

যদি আপনি  শাহ আমানত শহর বা চট্টগ্রাম শহর থেকে যান তবে আপনি কক্সবাজারে পৌঁছাতে প্রাইভেট গাড়ি, বাস অথবা মাইক্রোবাস ভাড়া করতে পারেন।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পৌঁছার পর, আপনি অসংখ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন, যেমন নীল জলের সৈকত, হিরমী হিল, ইনানি সমুদ্র বিহার, সাগর কুটির, মহেশখালী বিহার ইত্যাদি। সমুদ্র তীরে মাছ পাতার জন্য সেতুপাঁজি থাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মহেষখালী বিহার বা মোহেশখালী বিহারে গিয়ে মাছ পাতার অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

অতএব, বাংলাদেশের এই সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে বা বেড়াতে যান একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা আসবে।

কক্সবাজার

কক্সবাজার যাওয়ার  সঠিক সময়ঃ

কক্সবাজার ভ্রমণের সঠিক সময় নির্ধারণ করার জন্য আপনার উদ্দেশ্য বা আগ্রহের উপর ভিত্তি করা উচিত। কক্সবাজার বাংলাদেশের একটি প্রমুখ পর্যটন স্থান যেখানে দ্বীপ, সমুদ্র সৈকত, পাহাড়, বন এবং সান্নিধ্যে রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এই স্থানের রুচি ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

প্রকৃত উদ্দেশ্য হলে পূর্ব, বর্তমান, অথবা প্রকৃত মৌসুমের সাথে মিলিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের সময় নির্বাচন করা যায়। নিম্নে কিছু ভ্রমণের সঠিক সময় দেওয়া হলো:

শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি): শীতকালে কক্সবাজারে অধিকাংশ সময় প্রশান্ত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আনন্দ উপভোগ করা যায়। তবে এই সময়ে সমুদ্র পর্যটনের সুবর্ণ সুযোগ পাওয়া যায় না কারণ ভীষণ তীব্র সমুদ্র প্রবাহ থাকে এবং তাপমাত্রা হ্রাসের কারণে পানি তুলনামূলকভাবে অধিক হয়ে যায়। https://vromonguide.com/place/coxsbazar-sea-beach

গ্রীষ্মকাল (মার্চ থেকে মে): গ্রীষ্মকালে কক্সবাজারে প্রায়ই প্রশান্ত সামুদ্রিক অবস্থা থাকে, এবং এই সময়ে সমুদ্র পর্যটকদের জনপ্রিয়তা অধিক থাকে। এটি সুন্দর পর্যটন ও মরুভূমি দীর্ঘ বিকেলের আনন্দ উপভোগ করতে সমৃদ্ধ সময়।

বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর): বৃষ্টির কারণে বর্ষাকালে পর্যটনে অসুবিধা হতে পারে এবং সমুদ্র পর্যটনের জন্য এটি উপযুক্ত সময় নয়। তবে এই সময়ে কক্সবাজার সুন্দর পান্নার বন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আনন্দ উপভোগ করা যায়।

সর্বমোটভাবে, কক্সবাজারে ভ্রমণের জন্য শীত, গ্রীষ্ম এবং শোকার্ত মৌসুমে প্রায় সময় অনুসন্ধান করা যেতে পারে। এই সময়গুল

কক্সবাজার কিভাবে যাওয়া যায়ঃ

কক্সবাজার বাংলাদেশের একটি প্রসিদ্ধ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত যায়গা । কক্সবাজারে যাওয়ার জন্য অনেক উপায় আছে যা নিম্নে দেওয়া হল।

বাস বা ট্রেন 

 ঢাকা হতে কক্সবাজারে বাস বা ট্রেনে যাওয়ার বিকল্প আছে। বাসের জন্য ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে বিভিন্ন বাস সার্ভিস রয়েছে। আপনি ঢাকা হতে সাধারণ এসি বাস অথবা নন এসি বাস সার্ভিস নিতে পারেন। ট্রেনের জন্য কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে একটি প্রধান ট্রেন সার্ভিস রয়েছে, আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে চালু হবে। হানিফ পরিবহন,এস আলম, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন,মর্ডান লাইন আরো অনেক বাস সার্ভিস চালু আছে। আপনি কক্সবাজারে পৌঁছার আগে ভাড়ার বুকিং নিশ্চিত করার জন্য আগে বাসের ভাড়া এবং সময়সূচি সম্পর্কে সেবা প্রদানকারী কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।

বিমানঃ 

ঢাকা হতে কক্সবাজারে বিমান যোগে  শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারে প্রতিদিন বিমান সার্ভিস রয়েছে। এই পথে আপনি খুব কম সময়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

গাড়ি ভাড়াঃ 

কক্সবাজারে যেতে আপনি গাড়ি ভাড়া করতে পারেন। ঢাকা হতে কক্সবাজারে গাড়ি ভাড়া নিয়ে আপনার সর্বনিম্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। আপনি এই উপায়ে একটি প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করতে পারেন অথবা বিভিন্ন গাড়ি ভাড়া সার্ভিস কোম্পানি এই মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করতে পারে।

কোথায় থাকবেন ?

১। হোটেল/মোটেল/রিসোর্ট এই তিন যায়গায় থাকতে পারেন। বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে থাকতে পারেন।  মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ ইত্যাদি। ৬০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত।

২। হোটেল সী ক্রাউন, সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, ইউনি রিসোর্ট ইত্যাদি। ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত।

৩। উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, সেন্টমার্টিন রিসোর্ট, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট ইত্যাদি ৮০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত।

বিচ ভিউ / সী ভিউ হোটেলঃ

বর্তমানে অনেক হোটেল আছে যা অনেক সুন্দের ও আকর্ষনীয় যেখান থেকে সমদ্র সৈকত দেখা যায়। অনেকে চায় খুব কাছে থেকে দেখতে বিচ ভিউ হোটেল রুম গুলোর ভাড়া তুলনামূলক বেশি ভাড়া হয়ে থাকে। যদি আপনি কম দামে থাকতে চাইলে অফ সিজনে যেতে পারেন।

বিচ ভিউ হোটেল ছাড়াও এমন কিছু হোটেল ও রিসোর্ট হলো হোটেল সাইমান, হোটেল সী ক্রাউন, প্রাসাদ প্যারাডাইস ও নীলিমা বিচ, রিসোর্ট যা কাছে থেকে দেখা যাবে সমুদ্র সৈকত ইত্যাদি।

কোথায় খাবেন:-

কক্সবাজারে সব মানুষের জন্য রেস্টুরেন্ট আছে।  মধ্যম মানের বাজেট রেস্টুরেন্টের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি রেস্টুরেন্ট আছে। সিজন অনুসারে  অনেক কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে। 

১। ভাত: ২০-৪০ টাকা, 

২। ৮ থেকে ১০ রকমের মিক্সড ভর্তা: ৭৫/১৫০/৩০০ টাকা  ,

৩। লইট্যা ফ্রাই: ১০০ থেকে ১২০টাকা  (প্রতি প্লেট ৬-১০ টুকরা), 

৪। কোরাল/ভেটকি: ১৫০ টাকা (প্রতি পিচ), 

৫। গরু: ১৫০-২০০ টাকা 

৬। রুপচাঁদা ফ্রাই/রান্না: ৩০০-৪০০ টাকা

৭।  (ডাল: ৩০-৬০ টাকা। 

লাবনী পয়েন্ট সংলগ্ন হান্ডি রেস্তারা থেকে ২০০-২৫০ টাকায় হায়দ্রাবাদী বিরাণী খেতে পারেন। 

 কক্সবাজার  দর্শনীয় স্থানঃ

  • হিমছড়ি
  • ইনানী সমুদ্র সৈকত
  • মহেশখালী
  • রামু বৌদ্ধ বিহার
  • রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড
  • সেন্টমার্টিন

 ধন্যবাদঃ

আপনাদের ভ্রমন  আনান্দদায়ক ও নিরাপদে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ শান্তি এটাই আমার প্রত্যশা ।

admin

মোঃ শফিকুল ইসলাম লেবু (Lecturer) ডালিয়া, ডিমলা, নীলফামারী। আমি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে কন্টেইন ও ব্লগিং পোষ্ট করে থাকি, এ ব্যাপারে পাঠকগন মতামত দিলে - যথাসম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *