চাকুরী বাজার

মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় সমূহ (Mase 50 thakey 60 hazar taka income karar upay ‍somuha)

মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম  করার সহজ উপায় সমূহ (Mase 50 thakey 60 hazar taka income karar upay ‍somuha)মাত্র দুটি পদ্ধতিতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায়। একটি অনলাইনের মাধ্যমে আর একটি অফলেইনের মাধ্যমে। হ্যাঁ বন্ধুরা ঠিকই শুনেছেন কারন এখন মানুষের লিভিং কষ্ট অনেক হয়ে দাড়িয়েছে এই যান্ত্রিক যুগে।  চলা অনেক টাপ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি খুব সহজে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। আর আপনাকে কিছু টিপস শিখিয়ে দেওয়ার জন্য আজকে আমার আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য তৈরী করা। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

আপনি আমার দেওয়া পোষ্টটি সঠিক ভাবে পড়তে পারলে আপনি অবশ্যই কামিয়াবী হবেন ইনশাআল্রাহ। এটা একটি বাস্তবধর্মী আটিকেল যা আপনি একবার এপ্লাই করে আপনার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দিতে পারেন। 

আপনি যদি নুতুন অবস্থায় এই পেশায় আসেন তাহলে অথবা এমন কোন উপায় খুজতেছেন, টাকা ইনকাম করার জন্য তাহলে চাকরীর বিকল্প হিসাবে আপনি সহজে মাসে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন। https://daliatista.com

অনলাইনের মাধ্যমে ইনকাম করার পদ্ধতি

আপনি যদি কখনো কন্টেইন রাইটার এর কথা শুন থাকেন তাহলে ঠিকই শুনেছেন। আপনি ইচ্ছা করলেই  লেখালেখির উপর দক্ষতা অর্জন করে  কন্টেন রাইটার হিসেবে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করা খুব একটা বিষয় হবে না।

যদি আপনার বাংলা এবং ইংরেজি ভাষার উপরে দক্ষতা থাকে আর সেই বিষয়ে কন্টেন রাইটার হিসেবে আপনি লিখতে থাকেন। এক্ষেত্রে বর্তমান মার্কেট অনুযায়ী  আপনি সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজার ওয়াট আর্টিকেল লিখে আপনি সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

ধরেন আপনি প্রতি এক হাজার থেকে বারোশো ওয়ার্ড  কন্টিনাইটের লিখতে পারেন তাহলে আপনাকে এর জন্য ৫০০ টাকা করে পাবেন এভাবে আপনি যদি এক মাসে ১০০ টি থেকে ১৩০ টি আর্টিকেল  লিখতে পারেন। সে অনুযায়ী আপনাকে প্রতি মাসে  গুগল আপনাকে একটা নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট পাঠাবে।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

আপনার যদি বাংলা ভাষার উপরে দক্ষতা থাকে এবং সেটার উপরে যদি আর্টিকেল লিখে থাকেন তাহলে সেটি তুলনামূলকভাবে কিছুটা আয় কম হবে। অন্যদিকে আপনি যদি ইংরেজি ভাষার উপরে আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে আপনার মান্থলি ইনকামটি অবশ্যই বেড়ে যাবে।

আপনি যদি সত্যিকারের অর্থে দি ডিটারমাইন্ড হয়ে নিজেকে  তৈরি করতে পারেন?  এক্ষেত্রে আপনাকে কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত হয়ে যেকোনো একজন  যারা এ বিষয়ে দক্ষ তাদের কাছ থেকে শিখে নিয়ে আপনি কন্টেন রাইটিং লেখা শুরু করতে পারেন। 

আর বর্তমান সময়ে অনেক কোর্স রয়েছে অনলাইন ভিত্তিক আপনি গুগল অথবা ইউটিউবে সার্চ দিয়ে বিভিন্ন কন্টেনের রাইটার বিষয়ক পরামর্শ এবং গাইডলাইন দেখে আপনি কাজ করতে পারেন।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

অনলাইনে ইনকাম করার  উপায় ?

আপনি ভাবতে পারেন  এই তো গত কিছু বছর আগেই আমরা কখনোই জানতাম না ভাবতাম না  ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল সুযোগ সম্বলিত যে সমস্ত কার্যক্রম রয়েছে আমরা এখন অনায়াসে ঘরে বসে কাজ করতে পারি।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

এক্ষেত্রে  আপনার দৈহিক ও শারীরিকভাবে কোন পরিশ্রম করতে হয় না। কেবলমাত্র আপনার দরকার হবে একটা নির্দিষ্ট দক্ষতা এবং নৈপুণ্যতা যেটাকে আপনি পুঁজি করে আপনার জীবনকে অতিবাহিত করতে পারেন। এবং সেই সাথে আপনার কাঙ্খিত উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। 

আপনি যদি  ইউটিউবের কথা শুনে থাকেন এবং ইউটিউবিং সম্পর্কে ভাবছেন এমন হতে পারে না  যে বর্তমান সময়ে অনলাইন ভিত্তিক  যে সমস্ত ইনকাম করা যায় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে youtubeing করা।

আর আমরা ইউটিউবের কথা কমবেশি সবাই চিনি এবং জানি বর্তমান সময়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে আছে youtube। যা এখানে এমন কোন বিষয় নাই যে আপনার ইউটিউবে ভিডিও টিউটোরিয়ালের জন্য আমরা youtube এ সার্চ করে থাকি বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় মাস্টার হচ্ছে ইউটিউব।

 এই ইউটিউব দেখে  বাংলাদেশ সহ  পৃথিবীর অনেক রাষ্ট্রে অনলাইন ভিত্তিক ইনকাম করে চলছে। আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখেন বর্তমান youtube এর চাহিদা কেমন  সমাজের কতটুকু চাহিদা রয়েছে এবং আমাদের পারিপার্শ্বিক যে সমস্ত নতুন নতুন সমস্যা ক্রিয়েট হচ্ছে সে সমস্ত সমস্যাকে সমাধান নিয়ে আসে অনেক ইউটিউবার যা দেখে আমরা অনেকে আশ্বস্ত হই।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

বর্তমান সময়ে অনলাইনের যুগে ইউটিউবরা অনেক সময় নিউজ আকারে আমাদের দেশ এবং দেশের বাহিরে বিভিন্ন ধরনের সংবাদ পরিচালনা করে থাকে এই ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে।

 বর্তমান সময়ে  আমাদের দেশ বাংলাদেশ খুব ভালো একটি পরিমাণে আয় করতেছেন ইউটিউবাররা। আর আপনি যদি একজন নতুন হিসেবে এই জগতে পদার্পণ করেন তাহলে সেই বিষয়ের উপরে কাজ শুরু করতে হবে। 

যারা  ধ্যানে মগ্নে চিন্তা চেতনায় এই ইউটিউবের মাধ্যমে ইনকাম করতে চান? তাহলে অবশ্যই আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে আমার দেখা মতে এই ইউটিউব করে অনেক মানুষের সাফল্য অর্জন করেছে। আবার অনেকে দেখা গেছে  রাস্তার দ্বারপ্রান্তে শেষ কিনারায় আসার পূর্বেই তারা ব্যর্থ হয়েছে কারণ তাদের ভিতরে ধৈর্য ছিল না।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

হ্যাঁ আপনি যদি সত্যিকারে অর্থে ইউটিউব ইন করে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে চিন্তা চেতনায়  ভালো কিছু করে আপনাকে আপনার কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছে দেবে।

অনলাইন ইনকাম করার চিন্তা মাথায় আসলেই সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা ভেসে ওঠে কারণ এই ফ্রিল্যান্সারের উপরেই সারা পৃথিবীর অনেক মানুষ এই সাফল্য অর্জন করে আসছে। এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যা আপনি এত পরিমানে কাজ পাবেন যা আপনি কাজ শেষ করতে  পারবেন না।

আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু মার্কেটপ্লে যে নিজেকে তৈরি করার জন্য গড়ে তুলতে হবে আপনার নির্ধারিত একটি স্কিল বা দক্ষতা যার উপর নির্ভর করে আপনি সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

আর আপনি এই দক্ষতা কিভাবে ডেভলপ করবেন সেটা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় হ্যাঁ তবে আপনি সবচেয়ে বেশি ইস্কিল নিয়ে ভাবেন তাহলে ফ্রিল্যান্সার এর উপরে কোর্স করে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি মার্কেটপ্লেজ আপনি কোর্স করতে পারেন। সেগুলো নিম্নে দেওয়া হলো-

  • ভিডিও এডিটিং করা 
  • ডিজিটাল মার্কেটিং 
  • গ্রাফিক ডিজাইন 
  • ওয়েব ডেভেলমেন্ট
  • ফিল্যান্স কন্টেন রাইটিং করা

তাছাড়াও অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আরোও অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যে আপনি ইচ্ছা করলেই সেখান থেকে স্কিল তৈরি করে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন তবে মনে রাখবেন বর্তমান সময়ে অনেক ভুয়া ফ্রিল্যান্সাররা প্রশিক্ষণের নামে বিভিন্ন ফাঁদ পেতে বসে আছে আপনি সেদিন লক্ষ্য রেখেই সঠিক জায়গায় আপনি  কোর্সটি সম্পন্ন করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

আপনি যদি সঠিক পদ্ধতি এবং সঠিক নিয়ম জেনেই কোর্স সম্পূর্ণ করে আপনার দক্ষতা তৈরি হয় তাহলে আপনি অনায়াসে মাসে 50 থেকে 60 হাজার টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবে। 

অনলাইনে ব্লগিং করে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করার উপায়

আপনি তখনই ইনকাম করতে পারবেন যখন আপনার মন সেটিসফাই হবে এবং নিজেকে তৈরি করে কাজে লাগাতে পারবেন তখনই আপনার সফলতা আসবেন। আপনার কাজের মাধ্যমে অন্যের উপকার হচ্ছে পাশাপাশি আপনি নির্দিষ্ট একটা  টাকা পাচ্ছেন। কাজেই আপনার ব্লগিংয়ের মাধ্যমেই আপনি আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন এজন্য আপনার থাকতে হবে চরম দক্ষতা।

আপনি অবশ্যই মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন যদি আপনার ব্লগিং উপার্জনের একমাত্র পন্থা হয় তাহলে আপনি অবশ্যই কামিয়াবি হবেন। আপনি যখন একটি নির্দিষ্ট মানের দক্ষতা অর্জন করে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার প্রতিদিনের কনটিন গুলো আপলোড করেন।

সেটি হতে পারে আপনার লিখিত এবং ভিডিও আকারে বিভিন্ন পদ্ধতি হোক না কেন ? আপনি দৈনন্দিন একটি পত্রিকার মতো যেখানে আপনি প্রতিনিয়ত লেগে আছেন সে ক্ষেত্রে আপনার অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান অন্যের সাথে শেয়ার করে আপনি ভালো জায়গায় উপনীত হয়েছেন।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

মনে রাখবেন এমন অনেক বিষয় আছে যা মানুষ আপনার জানা বিষয়টি এবং অজানা বিষয়টি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী রয়েছেন মূলত তাদের জন্য আপনি কাজ করবেন। এবং তাদের সাহায্যের জন্য আপনি যে সমস্ত কর্মকাণ্ড কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সেই দিকগুলো নির্ণয় করে আপনি আয় করতে সক্ষম হবেন।

 কাজেই ব্লগিং বিষয়টি হচ্ছে একটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী আলোচনা যা আমি আপনাদেরকে ধাপে ধাপে খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করিলাম আশা করি আপনাদের ব্লগিং সম্পর্কে জানতে পারলেন।

একটি সত্যিই প্রবাদ বাক্যের মত আপনি ব্লগিং করে এবং গুগলের মনিটাইজেশন পাওয়ার পরেই আপনার নির্দিষ্ট পরিমাণে মাসিক ইনকাম হবেই। আর আপনার যদি এটা একমাত্র উপার্জনের রাস্তা হয়ে থাকে তাহলে আপনি আরো অনেক বড় মাপের একজন কন্টেইন রাইটার ব্লগিং পেশায় দারুন সাফল্য অর্জন করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ও ডিজাইনের কাজ শিখে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

বর্তমান সময়ের একটি এটি চ্যালেঞ্জিং এবং অন্যতম প্লাটফর্ম ইনকাম করার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন। আপনি যদি এই সম্পর্কে দক্ষতা থাকে তাহলে অনায়েসে আপনি যে কোন জায়গায় অনলাইনের মাধ্যমেই আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

কারণ গ্রাফিক্স ডিজাইন বিষয়টি অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। কারণ বর্তমান সময়ের প্রতিটি বিষয়ের উপরে ভালোভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর মধ্যে মাধ্যমেই সকল কাজ সম্পাদিত হয়ে থাকে। আর তাইতো গ্রাফিক্স ডিজাইনরা উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে এই সমাজে দেখা হয়।

আর এটি যদি বর্তমান সময়  এ আই আরটিভফশিয়াল  অনেকগুলো গ্রাফিক্স গ্র্যাফিকাল কাজ  যা আমরা দেখে হতবাক কি করে সম্ভব অনেক সন্দেহপ্রবণ হয়ে থাকি। আসলে কোনটি সঠিক আর কোনটি বেঠিক সে সম্পর্কে আমরা অবগত থাকি না হ্যাঁ তবে সত্যি কারে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনার তাদের কাছে কখনো সাইড ইফেক্ট ফেলতে পারেনা কাজেই তারা সব সময় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি।

mase-50-thakey-60-hazar-taka-income-karar-upay-somuha

আপনি খুব সহজে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ শিখে প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন যদি সঠিক ভাবে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখে চাকরি করে অথবা না করেন। এই অনলাইন প্লাটফর্মে আপনি সহজেই নিজেকে তৈরি করে বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে ফিনান্স মার্কেটপ্লেসে আপনার জন্য অনেক অফার রয়েছে যা আপনি এখান থেকেই সহজে ইনকাম করতে পারেন।

ই-কমার্স ব্যবসা করে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করা যায়

এই ব্যবসায় নির্দিষ্ট কোন দক্ষতা নৈপুণ্যতা ছাড়াই আপনি এই ব্যবসা করতে পারেন ইচ্ছা করলে আপনি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা অনায়েসে আপনি ঘরে তুলতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে সঠিক ই-কমার্স ওয়েবসাইট হতে দিকনির্দেশনা দেখে, আপনার পছন্দমত ব্যবসাটি

বেছে নিয়েই -এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে ওয়েব ডেভেলপার এবং ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে আপনি ই-কমার্স একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সুন্দরভাবে আপনি ব্যবসা কে সাফল্য নিয়ে আসতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটটি তৈরি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ব্যবসার কোন ধরনের জনপ্রিয়তা অর্জন করবে সে দিকটা নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনার মার্কেটিং পণ্যগুলো বিভিন্নভাবে গ্রাহক নিয়ে আসতে সক্ষম হবে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।

এখানে আপনি আপনার পছন্দমত স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবসা করতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে। এই প্লাটফর্মে আপনার নির্দিষ্ট কোন দোকান যেকোনো জায়গা থাকবে না আপনি শুধু অনলাইনের মাধ্যমেই ভার্চুয়াল ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আপনি যে কোন জায়গায় আপনার এই ব্যবসা পরিচালিত করতে পারবেন। আপনার ব্যবসা যত সাফল্য অর্জন করবে ততই আপনার মাসিক ইনকাম বাড়বে।

ড্রপ শিপিং করে ইনকাম করা যায়

এক্ষেত্রে আপনি যদি ড্রপ শিপিং করে ইনকাম করার চিন্তা করে থাকেন তাহলে সহজে বেচে নিয়ে কাজ করতে পারেন।এটি হচ্ছে একটি প্রোডাক্ট অনলাইনে ব্যবসা করবেন ওই পণ্যটি আপনি ক্রয় করার ক্ষমতা রাখেন না।  কারণ আপনি পণ্যটিকে প্রথমে ইনভেস্ট ক্রয় না করে পন্যটি বিক্রয় করার মাধ্যমে আয় করার সঠিক পদ্ধতি রয়েছে।  আর এটি হচ্ছে ড্রপ শিপিং ব্যবসা।

ড্রপ শিপিং প্লাটফর্মে একটি সুন্দর ব্যবসা সিস্টেম ধরেন একটি পণ্যের মূল্য যদি  ২০০ টাকা হয় আপনি সেটা নিচ থেকে কখনোই পন্যটিকেনার জন্য টাকা দিবেন না বরং ক্রেতা সে পণ্যটিকে ৩০০ টাকা বিক্রি করেছেন।এই সিস্টেমটি হচ্ছে ক্রেতা আপনাকে টাকা না দিয়ে বরং আপনী যে ড্রপ শিপিং কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে বেনিফিট হিসেবে অতিরিক্ত ১০০ টাকা আপনি পেয়ে যাবেন। যা এই টাকাটা আপনার সরাসরি একাউন্টে জমা হবে।

 এই ব্যবসাটি সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনাকে পণায় এবং বিপণন সংক্রান্ত কোনো ধরনের ঝামেলা  হয় না। বরং আপনার হয়ে কাজ করে দেয় তারা যাদের মাঝে কিছু মুনাফা আপনি পেয়ে যাবেন এক্ষেত্রে আপনি প্রতি মাসে এই সিস্টেম পদ্ধতিতে ড্রপ শিপিং ব্যবসাটি করতে পারলে মাঠে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

অফলাইনের মাধ্যমে  আপনি ব্যবসা করতে পারেন

১।  মুদিখানার দোকানঃ  

আমাদের প্রতিটি মানুষের মৃত্যু দিনের জিনিসপত্র কেনার জন্য আমরা মুদির দোকানে যেয়ে থাকি। আর মুদির দোকানে প্রতিদিন কম বেশি প্রতিটি গলিতে লোকজনের ভিড় থাকেই। কারণ আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের শরীর সুস্থ রাখার জন্য আমরা খাদ্য গ্রহণ করি সে ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই মুদিখানা দোকানে যেয়ে খরচ করতে হয়।

 এক্ষেত্রে আপনি যদি একটি মুদির দোকান করতে চান সেক্ষেত্রে জায়গা  দোকান ভাড়া নেওয়ার এডভান্স প্রয়োজন হয়  সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমের দিকে ব্যবসার পুঁজি খাটাতে হয়। আপনার দোকানে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে মাল থাকে সেক্ষেত্রে আপনার ব্যবসা ভালো চলবে। একটা জিনিস মনে রাখবেন এলাকাভিত্তিক কিছু মুদির দোকান আছে যা মানুষ সাপটা এবং মাসিকারে বাকিতে পণ্য ক্রয় করে থাকে এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ভালো  ব্যবসায়ী হতে হবে।

আপনি যদি এই মুদির দোকান দিতে চান তাহলে নিচে ভালো কোন জায়গা বেছে নিতে হবে আর যদি ভালো হয় যদি আপনি হাট বাজার এলাকায় জনবহুল যেখানে বসবাস চলাফেরা করে সে স্থানে ভাল ইনকাম করতে পারবেন।

 অথবা যে এলাকায় ঘনবসতিপূর্ণ লোকজন থাকে আপনি সেখানেও মুদিখানা দোকান দিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার দোকানে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে মালামাল থাকে তাহলে প্রতি মাসেই আপনি অনায়াসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

২। ইলেকট্রিক পণ্য মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ এর দোকান দিতে পারেন

বর্তমান সময়ে প্রতিটি মানুষের কাছে কম বেশি মোবাইল আছে সে ক্ষেত্রে আপনি যদি মোবাইল এক্সেসরিজ এর ব্যবসা দেন তাহলে খুব ভালো চলবে এবং এটিতে লাভজনক ব্যবসা আপনি অনায়াসে চালাতে পারবেন।

অথবা আপনি আরেকটি উপায়ে কাজ করতে পারেন সেটা হচ্ছে আপনি  আমাদের বাংলাদেশী বিভাগীয় শহর তথা যদি ঢাকা থেকে পাইকারি ধরে কিনে নিয়ে এসে  খুচরা মূল্যে বিক্রি করেন তাহলে আপনি মোটামুটি ভালো ব্যবসা করতে পারবেন।

যদি আপনার পুজি কম হয়  সে ক্ষেত্রে আপনি শুরুতেই পাইকারি দরে কিনে নিয়ে এসে বিভিন্ন ছোট ছোট দোকানে আপনি সাপ্লাই দিলেই সেখান থেকে আপনার বেশ ভালো একটি মুনাফা আসবে।

এই ব্যবসাটি বর্তমান সময়ের জন্য একটি যুব উপযোগী ব্যবসা আপনি যত বেশি সেল করতে পারবেন আপনার তত বেশি মুনাফা আসবে। কাজে আপনি এখানে অল্প পুঁজি ব্যবহার করে বড় অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই এই ব্যবসাটিতে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

৩। কসমেটিকসের ব্যবসা করতে পারেন

কসমেটিকস প্রসাধনী ব্যবসাটি  এটি একটি সৌখিন ব্যবসা, এই ব্যবসাটি মূলত প্রতিটি মানুষকে সৌন্দর্য রূপান্তরিত করার জন্য সকলেই কম-বেশি এর প্রতি আমরা আকৃষ্ট হই আমাদের শরীর এবং চেরাকে সুন্দর রাখার জন্য।

 বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে তো বলাই বাহুল্য  যদি আপনি ভালো মানের একটি কসমেটিকসের দোকান দিতে পারেন  এবং আপনি যদি বিভিন্ন কৃত্রিম উপায়ে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার যে সমস্ত  পণ্য আছে সেগুলো যদি ভালোভাবে বিক্রি করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি ভালো একটি ব্যবসা করে মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কসমেটিকস পন্যটি অন্যান্য প্রসাধনী  পণ্যের তুলনায় অনেক দামি হয়ে থাকে সাধারণত একটি কসমেটিক্স এর পণ্য পাইকারি দামে কেনা হলে তার তিনগুণ দামে বিক্রি করতে পারবেন।

যেহেতু কসমেটিক্স এর গায়ে কোন ধরনের মূল্য থাকেনা তাই আপনি আপনার চাহিদা মত ব্যবসা করতে পারবেন। আমাদের দেশে কসমেটিক্স এর সবচেয়ে বেশি চাহিদা হচ্ছে ভারতের কসমেটিক্স  বিশেষ করে আপনি যদি বাংলাদেশের মার্কেটে ইন্ডিয়ান কসমেটিক্স  ব্যবসা করতে পারেন তাহলে আপনি ভালো মানের ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

এক্ষেত্রে আপনার ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করা কোন ব্যাপারই না। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে ভালো একটি বড় এমাউন্টের  অর্থ  ইনভেস্ট করতে হবে  কেননা কসমেটিক্স  বিভিন্ন রকমের হওয়ার কারণে আপনার এমন বেশি প্রয়োজন হয়। তাই আপনাকে একটি বেশি অ্যামাউন্ট এর ক্যাশ খাটিয়ে ব্যবসাটি করতে পারবেন।

৪। ফাস্টফুড্ড জাতীয়  দোকান

ফাস্টফুড জাতীয় দোকান দিয়ে আপনি ভালো ব্যবসা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে  এই ব্যবসাটি করতে গেলে অবশ্যই সঠিক স্থান নির্ধারণ করতে হবে। কারণ এই দোকানটি এমন একটি জায়গায় দিতে হবে যেখানে সবচেয়ে জনগণ বা লোকজন আনাগোনা থাকে বেশি এই সমস্ত প্লেজে আপনি দোকানটি দিতে পারলে খুব ভালো ব্যবসা করতে পারবেন।

আমার  মতামত হচ্ছে আপনি যদি ভালো কোন অফিস  স্কুল অথবা কলেজের পাশে এই দোকানটি দিতে পারেন তাহলে আপনার দোকানটি খুব ভালোভাবে চলবে। এক্ষেত্রে ফাস্টফুড জাতীয় দোকানের খাবারের মান সর্বদা ভালো রাখতে হবে কারণ আপনার খাবারের মান যত বেশি ভালো হবে আপনার দোকানের সেল ততো বেশি হবে এবং এর প্রসারতা লাভ করবে দিন দিন ব্যাপক উন্নতরদিকে  চলে যাবেন।

এই জাতীয় খাবারের মানের সাথে দামের মিল রাখতে হবে। কারণ আপনি এ জাতীয় দোকানের যত কম মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন তত বেশি আপনার সেল হবে।

৫। কফি হাউজের ব্যবসা দেওয়া যেতে পারে

 কফি হাউসের ব্যবসাটি হচ্ছে বিশেষ করে মানুষ যখন অবসরে থাকে এবং বিভিন্ন আড্ডা দেওয়ার জন্য কফি হাউসে বেশির ভাগে আড্ডা দেয় এখানে মূলত বেশ ভাল রমরমা ব্যবসা আছে এর সফলতা পেতে গেলে সবচেয়ে আপনাকে যে জায়গাটি বেছে নিতে হবে সেটি হচ্ছে নির্ধারিত জায়গা যে জায়গাটি আপনি পছন্দ করতে যদি ভুল না করেন তাহলে আপনি দারুন একটা ব্যবসা করে মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।

 এই ধরনের স্থানে সাধারণত মানুষজন কফি খাওয়ার জন্য আড্ডা কিংবা গল্প করতে বেশি আসে। আপনার কফি হাউজের ভিতরের যত ধরনের পরিবেশ উন্নত হবে নিরিবিলি হবে আপনার পরিবেশ যদি মনোরম হয়ে থাকে তাহলে সেখানে অবশ্যই মানুষ যে তাদের মনকে হালকা করে চলে আসবে এবং আপনার ব্যবসা হবে।

৬। রিসেলার ব্যবসা করা যেতে পারে

আপনি ইচ্ছা করলে এই ব্যবসাটি করতে পারেন। তবে ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম  আপনাকে খুঁজতে হবে কোন এলাকায় কোন পণ্যটি চাহিদা কম এবং কোন পণ্যটির চাহিদা বেশি এবং সেখানে মালামাল ক্রয় করার জন্য দুর্গম এলাকা কিনা সে ক্ষেত্রে আপনি যদি এই ব্যবসাটি চিন্তা করেন মালামাল কিনে আপনি যদি সেই সমস্ত জায়গায় পৌঁছে দিতে পারেন তাহলে সহজে আপনি এই ব্যবসাটিতে লাভবান হতে পারবেন। https://www.google.com

৭। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা করা যেতে পারে

এই ব্যবসাটি মূলত ইভেন ম্যানেজমেন্ট বলতে আপনার যদি একটি টিম থাকে সেই টিমের মাধ্যমে আপনি প্রতি মাসে অনায়াসে ভালো একটি ইনকাম করতে পারবেন। যেমন ধরেন আমাদের আশেপাশে প্রতিনিয়ত কমবেশি বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে যেমন ধরেন বিয়ে বাড়ি, দাওয়াতবাড়ি, জন্মদিন, অফিস ইভেন্ট, ফেয়ারওয়েল, বিভিন্ন ধরনের, ইভেন ম্যানেজমেন্ট এর সিস্টেম অনুযায়ী আপনি সহজে ইনকাম করতে পারেন।

এই ইভেন ম্যানেজমেন্ট  ব্যবসাটি উপস্থাপন করতে হয়  যদি আপনার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিমকে ভালো ম্যানেজমেন্ট এর দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা হয়। তাহলে আপনি  এই ব্যবসা বাবদ প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

৮। কোচিং  সেন্টার

কোচিং ব্যবসা মূলত এটি একটি শিক্ষা বিষয়ক ব্যবসা। এই ব্যবসাটি আপনি সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে পারলে আপনি অনায়াসে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে হ্যাঁ এ ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে অবশ্যই একাডেমিক শিক্ষায় ভালো শিক্ষিত হতে হবে এবং শিক্ষার উপরে ভালো একটি দক্ষতা অর্জন করে আপনি এই ব্যবসাটি দিতে পারবেন।

এই কোচিং ব্যবসাটিতে সাধারণত ইস্কুল কলেজ এর শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করার জন্য কোচিং সেন্টারে যে থাকেন। এই কোচিং এর ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে প্রতিনিয়ত ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন কোচিংয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করে পড়াশোনা করেন আসে। একজন ছাত্র-ছাত্রীকে অবশ্যই হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দিতে হয়। সেক্ষেত্রে আপনি যদি ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করে এই ব্যবসাটি অনায়াসে করে আপনি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

সমাপনীঃ প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আজকে আমার এই আর্টিকেলটিতে, বিভিন্ন উপায়ে  মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা ইনকাম করার সহজ পদ্ধতি গুলো উপরিক্ত আলোচনায় সুন্দরভাবে আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করেছে আশা করি আপনারা বুঝতে সক্ষম হয়েছেন। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে কোন ব্যবসা করেন না কেন অফলাইনে হোক আর অনলাইনে হোক অবশ্যই আপনাকে দক্ষ হয়ে সেই ব্যবসাটি শুরু করতে হবে না হলে আপনি লোকসানে পড়ে যাবেন। মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার  ইনকাম করার যে সমস্ত পদ্ধতি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করা হলো আপনারা ইচ্ছা করলে সেগুলো ব্যবসা করে জীবন এবং জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। আমার যদি এই পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার প্রিয় বন্ধুদের কাছে শেয়ার করবেন। সেই সাথে আমার ওয়েবসাইটটিতে ক্লিক করেই আপনি আরো অনেক কিছু তথ্য জানতে পারবেন। আজকের মতই এখানেই শেষ করছি সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন সবার জীবন সুন্দর হোক এই প্রত্যাশা আল্লাহ হাফেজ।

admin

মোঃ শফিকুল ইসলাম লেবু (Lecturer) ডালিয়া, ডিমলা, নীলফামারী। আমি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে কন্টেইন ও ব্লগিং পোষ্ট করে থাকি, এ ব্যাপারে পাঠকগন মতামত দিলে - যথাসম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *